কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শনিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৫ এ ০২:৩২ PM
তথ্য অধিকার সংক্রান্ত বিধিমালা
কন্টেন্ট: পাতা
📘 তথ্য অধিকার বিধিমালা, ২০১০
(Right to Information Rules, 2010)
এই বিধিমালায় আইনটির কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে বিস্তারিত প্রক্রিয়া, দায়িত্ব, ফি কাঠামো, সময়সীমা ও ফর্মেট উল্লেখ করা হয়েছে।
⚖️ প্রধান প্রধান বিষয়সমূহঃ
১. 🧑💼 নির্ধারিত কর্মকর্তা নিয়োগ:
- প্রতিটি সরকারী ও নির্ধারিত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে একজন নির্ধারিত কর্মকর্তা (Designated Officer) নিয়োগ বাধ্যতামূলক।
- এ কর্মকর্তার দায়িত্ব হলো তথ্য চেয়ে আবেদন গ্রহণ ও তা প্রদান করা।
২. 🧾 তথ্য আবেদন ফি ও ফরম্যাট:
- আবেদন ফর্ম লিখিত বা নির্ধারিত ছকে হতে হবে।
- আবেদন ফি সাধারণত ২০ টাকা (ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জমা দিতে হয় বা নগদে দেওয়া যেতে পারে, নির্ভর করে প্রতিষ্ঠানের পদ্ধতির ওপর)।
- প্রিন্ট/ফটোকপি/ডিজিটাল কপির জন্য অতিরিক্ত চার্জ নির্ধারণ রয়েছে (যেমনঃ প্রতি পৃষ্ঠা ২ টাকা ইত্যাদি)।
৩. ⏳ তথ্য প্রদানের সময়সীমা:
- সাধারণ তথ্যের জন্য ২০ কর্মদিবস
- তৃতীয় পক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হলে ৩০ কর্মদিবস
- জীবন বা স্বাধীনতার প্রশ্নে তথ্য: ৪৮ ঘণ্টা
৪. 📤 আপীল ও অভিযোগের প্রক্রিয়া:
- আপীল ফর্ম নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপীল কর্তৃপক্ষ বরাবর দাখিল করতে হবে (৩০ দিনের মধ্যে)।
- আপীল না মেটালে তথ্য কমিশনে অভিযোগ করা যায়।
- বিধিমালায় আপীল ও অভিযোগের ফর্ম (ফর্ম B ও C) নির্ধারণ করা আছে।
৫. 🏛️ তথ্য কমিশনের ক্ষমতা ও কর্তব্য:
- তদন্ত করতে পারে
- জরিমানা আরোপ করতে পারে (আইনে নির্ধারিত)
- নির্দেশ প্রদান করতে পারে
- নির্ধারিত কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম তদারকি করে
৬. 📄 রেকর্ড সংরক্ষণ ও প্রকাশ:
- প্রতিষ্ঠানসমূহকে তাদের তথ্য সংরক্ষণ ও শ্রেণিবিন্যাস করতে হবে
- নিয়মিতভাবে কিছু তথ্য স্বতঃপ্রকাশ (Proactive Disclosure) করতে হবে
যেমন: বাজেট, নীতিমালা, কর্মপরিকল্পনা, প্রকল্প, জনবল কাঠামো, যোগাযোগ ঠিকানা ইত্যাদি
🗂️ সংক্ষেপে বিধিমালার কাঠামো:
| ধারা | ও বিষয়বস্তু |
| ১ | সংক্ষিপ্ত নাম ও কার্যকারিতা |
| ২ | সংজ্ঞা |
| ৩ | নির্ধারিত কর্মকর্তার দায়িত্ব |
| ৪ | আবেদন ফি ও তথ্যের ফরম্যাট |
| ৫ | আপীল ও অভিযোগ প্রক্রিয়া |
| ৬ | ফরমেট (Form A, B, C) |
| ৭ | তথ্য কমিশনের তদারকি ক্ষমতা |